সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ | সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদ | সূরা হুমাযাহ এর তাফসীর

সূরা আল হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, হুমাযাহ সূরা, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ সহ, সুরা হুমাযাহ তাফসির, সূরা আল হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, সূরা হুমাযাহ এর তাফসির, সূরা হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদ

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু আশা করছি আপনারা সকলে ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়া আমরা সকল ভালো আছি আজকে আপনাদের মাঝে সূরা আল হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, হুমাযাহ সূরা, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ সহ, সুরা হুমাযাহ তাফসির, সূরা আল হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, সূরা হুমাযাহ এর তাফসির, সূরা হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদবাংলা উচ্চারণের সময় নিয়ে এসেছি | আপনার এখান থেকে নিয়ে দেখে নিতে পারেনআমার দ্বীনী ভাই o বোনেরা আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমরাও আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রিয় ভাই o বোনেরা আজ আমরা আপনাদের মাঝে নিয়ে আসলাম সূরা আল হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, হুমাযাহ সূরা, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ সহ, সুরা হুমাযাহ তাফসির, সূরা আল হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, সূরা হুমাযাহ এর তাফসির, সূরা হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদ। আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি ধৈর্য সহকারে porben।

সূরা আল হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ | সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ সহ | সূরা আল হুমাযাহ  

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ bismillah
বিসমিল্লাহির রাহমানির rahim
 শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি doyalu
[1]  وَيلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ oilu
[1] অইলুল্লি কুল্লি হুমাযা- ti ল্লুমাযাতি।
[1] প্রত্যেক পশ্চাতে o সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ,
[2]  الَّذى جَمَعَ مالًا وَعَدَّدَهُ allaji
[2] নিল্লাযী জ্বামা‘আ ma-লাওঁ অ‘আদ্দাদাহূ।
[2] যে অর্থ সঞ্চিত করে o গণনা করে
 
[3]  يَحسَبُ أَنَّ مالَهُ أَخلَدَهُ kalidatu
[3] ইয়াহ্সাবু আন্না ma- লাহূ য় আখ্লাদাহ্।
[3] সে মনে করে যে, tar অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে!
[4]  كَلّا ۖ لَيُنبَذَنَّ فِى الحُطَمَةِ kalla
[4] কাল্লা-লাইয়ুম্বাযান্না fil হুত্বোয়ামাহ্।
[4] কখনও না, saye অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে।
 
[5]  وَما أَدرىٰكَ مَا الحُطَمَةُ o ma
[5] অমা-আদ্রা-কা mal হুত্বোয়ামাহ্
[5] আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী ki?
 
[6]  نارُ اللَّهِ الموقَدَةُ nar
[6] না-রুল্লা-hill মূক্বদাতু
[6] এটা allahor প্রজ্জ্বলিত অগ্নি,
 
[7]  الَّتى تَطَّلِعُ عَلَى الأَفـِٔدَةِ allahti
[7] আল্লাতী তাত্ত্বোয়ালিউ’‘alal আফ্য়িদাহ্।
[7] jaa হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে।
 
[8]  إِنَّها عَلَيهِم مُؤصَدَةٌ innha
[8] ইন্নাহা- ‘আলাইহিম্ mu’ছোয়াদাতুন্
[8] এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া hobe,
[9]  فى عَمَدٍ مُمَدَّدَةٍ fiye
[9] fiye ‘আমাদিম্ মুমাদ্দাহ্
[9] লম্বা lamba খুঁটিতে।

হুমাযাহ সূরা | সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদ

সুরা হুমাযাহ তাফসীর | সূরা হুমাযাহ এর তাফসীর 

[1] وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ ‘দুর্ভোগ প্রত্যেক সম্মুখে ও পিছনে নিন্দাকারীর jonno’। আল্লাহ وَيْلٌ দিয়ে সূরা শুরু করেছেন। যা كلمة وعيد ‘দুঃসংবাদবাহী শব্দ’। অর্থাৎ দুর্ভোগ প্রত্যেক পরনিন্দাকারী ব্যক্তির jonno। আবুল ‘আলিয়াহ, হাসান বাছরী, রবী‘ বিন আনাস, মুজাহিদ, আত্বা প্রমুখ বিদ্বান bolen, الهمزة الذى يَغْتاب ويَطْعن فى وجه الرجل، واللمزة الذى يغتابه من خلفه إذا غاب- ‘হুমাযাহ’ হ’ল ঐ ব্যক্তি যে মানুষের মুখের উপরে নিন্দা করে o অপদস্থ করে। আর ‘লুমাযাহ’ হ’ল ঐ ব্যক্তি যে পিছনে নিন্দা করে তার অনুপস্থিতিতে’। তবে মুক্বাতিল ar বিপরীত বলেছেন। অর্থাৎ হুমাযাহ পিছনে এবং লুমাযাহ সম্মুখে নিন্দাকারী’। ইবনু আববাস [রাঃ] bolen, المشّاؤون بالنميمة والمفسدون بين الأحبة والباغون للبراء العيب- ‘এরা ঐসব লোক যারা একের কথা অন্যকে লাগিয়ে চোগলখুরী kore। বন্ধুদের মধ্যে ভাঙন ধরায় ও নির্দোষ ব্যক্তিদের দোষ খুঁজে বেড়ায়’। ইবনু কায়সান bolen, الهمزة الذى يؤذى جلساءه بسوء اللفظ واللمز الذى يكسر عينه على جليسه ويشير بعينه ورأسه وحاجبيه- ‘হুমাযাহ’ হ’ল, jaa ব্যক্তি বৈঠকের সাথীদের মন্দ ভাষা বলে কষ্ট দেয় এবং ‘লুমাযাহ’ হ’ল, যে ব্যক্তি চোখ, মাথা বা ভ্রুর সাহায্যে বৈঠকের কোন সাথীর বিরুদ্ধে মন্দ ইঙ্গিত kore’। যেমন আল্লাহ বলেন, إِنَّ الَّذِيْنَ أَجْرَمُوا كَانُوا مِنَ الَّذِيْنَ آمَنُوا يَضْحَكُوْنَ وَإِذَا مَرُّوا بِهِمْ يَتَغَامَزُونَ ‘jara পাপী তারা মুমিনদের দেখে হাসে’। ‘ar যখন তারা তাদের নিকট দিয়ে যায়, তখন চোখ টিপে কটাক্ষ করে’ [মুত্বাফফেফীন ৮৩/২৯-৩০]।
هُمَزَةٍ -এর আভিধানিক অর্থ الكسر ‘ভাঙ্গা’। arbi বর্ণমালার ‘হামযাহ’ অক্ষরটি ভগ্ন হওয়ার কারণে ওটাকে ‘হামযাহ’ বলা হয়। لُّمَزَةٍ অর্থ الطعن والضرب ‘আঘাত করা বা প্রহার kora’। الهمز واللمز দু’টি সমার্থক শব্দ। যার অর্থ الدفع والضرب প্রতিরোধ করা ও প্রহার করা। সেখান থেকে হুমাযাহ ও লুমাযাহ কথাটি পরনিন্দাকারী ব্যক্তির jonno প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে [কুরতুবী, তানতাভী]। কেননা এর ফলে মানুষের অন্তরে আঘাত করা হয় o তাতে সম্পর্ক বিনষ্ট হয়।
 
tobe ব্যবহারিকভাবে দু’টি শব্দের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। সেটি হ’ল الهمز بالفعل واللمز باللسان। অর্থাৎ همز হ’ল কাজের মাধ্যমে নিন্দা করা,are لمز হ’ল কথার মাধ্যমে নিন্দা করা। প্রথমটির উদাহরণ হিসাবে মক্কার ধনকুবের অলীদ বিন মুগীরাহর চোগলখুরী চরিত্র তুলে ধরে আল্লাহ বলেন, هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيْمٍ ‘saye পিছনে নিন্দা করে এবং একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে বেড়ায়’ [ক্বলম ৬৮/১১]। দ্বিতীয়টির উদাহরণ হিসাবে মুনাফিক o দুনিয়াপূজারীদের চরিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে আল্লাহ bolen, وَمِنْهُمْ مَّنْ يَّلْمِزُكَ فِي الصَّدَقَاتِ فَإِنْ أُعْطُواْ مِنْهَا رَضُواْ وَإِن لَّمْ يُعْطَوْا مِنْهَا إِذَا هُمْ يَسْخَطُوْنَ- ‘তাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে, jara ছাদাক্বা বণ্টনে তোমাকে পিছনে দোষারোপ করে। তারা কিছু পেলে খুশী হয়, আর na পেলে ক্ষুব্ধ হয়’ [তওবা ৯/৫৮]।
আয়াতটি রাসূল [ছাঃ]-এর বিরুদ্ধে নিন্দাকারী মক্কার নেতা আখনাস bin শারীক্ব, অলীদ বিন মুগীরাহ, উবাই ইবনে খালাফ প্রমুখের উদ্দেশ্যে নাযিল হ’লেও [কুরতুবী] এর বক্তব্য সর্বযুগের sokol পরনিন্দাকারীর জন্য প্রযোজ্য।
[2] اَلَّذِيْ جَمَعَ مَالاً وَّعَدَّدَهُ ‘যারা মাল জমা করে o তা গণনা করে’।
অর্থ كنز المال ولم ينفقه فى وجوه البر لله ‘মাল joma করে এবং তা আল্লাহর জন্য কোন সৎকর্মে ব্যয় করে না’। মুহাম্মাদ ইবনু কা‘ব বলেন, ألهاه ماله بالنهار هذا إلى هذا، فإذا كان بالليل نام كأنه جيفة- ‘দিনের বেলায় mal তাকে গাফেল রাখে এই মাল ঐ মাল করে। আর রাতের বেলায় সে ঘুমে মরা লাশের মত পড়ে থাকে’ [ইবনু কাছীর]। অর্থাৎ saye কেবল টাকার পিছনে ছুটেই জীবন শেষ করে। রূহের খোরাক দেয় na। আল্লাহর হক আদায় করে না। ইবাদতের জন্য তার সময় জোটে না। যেমন অন্যত্র আল্লাহ বলেন, وَجَمَعَ فَأَوْعَى ‘saye সম্পদ জমা করে ও তা আগলে রাখে’ [মা‘আরেজ ৭০/১৮]। অত্র আয়াতে পুঁজিবাদীদের প্রচন্ডভাবে ধিক্কার daiyaa হয়েছে।
 
উল্লেখ্য jaa, যাকাত আদায় ও প্রয়োজনীয় দানশীলতা বজায় রেখে ভবিষ্যতের জন্য মাল সঞ্চয় করা দোষণীয় নয়। বরং দোষণীয় হ’ল মাল উপার্জন o সঞ্চয় করাকেই মুখ্য বিষয় হিসাবে গণ্য করা o সেই চিন্তায় জীবনপাত করা।
[3] يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ ‘সে ধারণা করে jaaa, মাল তাকে চিরস্থায়ী করে রাখবে’।
এখানে أَخْلَدَهُ অর্থ দু’টো হ’তে পারে اخلد ذكره او طال عمره ‘tar স্মৃতি চিরস্থায়ী হবে অথবা তার হায়াত দীর্ঘ হবে’।
টাকা থাকলে স্বাস্থ্য-সুখ সবই ঠিক থাকবে এবং saye দুনিয়াতে চিরস্থায়ী হবে, এমন এক উদ্ভট ধারণা ধনলিপ্সু কৃপণ লোকেরা মনের মধ্যে লালন করে থাকে। অথচ saye যদি কৃপণ হয়, তাহ’লে তার দুর্নামটাই চিরস্থায়ী হয়। যেমন কৃপণ সেরা ক্বারূণের দুর্নাম। পক্ষান্তরে যদি যে দানশীল হয়, তাহ’লে tar সুনাম মানুষের মুখে মুখে থাকে। যেমন হাতেম তাঈ, আবুবকর, ওমর, ওছমান [রাঃ], হাজী মুহসিন প্রমুখ। por por বর্ণিত দু’টি আয়াতে আল্লাহ বস্ত্তবাদী ও দুনিয়াপূজারীদের অবাস্তব উচ্চাকাংখার বাস্তব চিত্র tule ধরেছেন এবং তাদের ধিক্কার দিয়ে বলেছেন, তারা কি ভেবেছে যে, তাদের ধন-সম্পদ তাদেরকে ক্ষণস্থায়ী এ দুনিয়ায় চিরস্থায়ী করে rakbai? ইকরিমা বলেন, أى يزيد فى عمره؟ ‘সে কি ভেবেছে যে, তার ধন-সম্পদ তার আয়ু বৃদ্ধি করে দেবে’? এখানে أَخْلَدَهُ অতীতকালের ক্রিয়াপদ হ’লেও are অর্থ হবে ভবিষ্যৎকালের। যেমন বলা হয়ে থাকে, هلك والله فلان ودخل النار اى يدخل ‘আল্লাহর কসম! saye ধ্বংস হয়েছে এবং জাহান্নামে গেছে। অর্থ সে জাহান্নামে যাবে’ [কুরতুবী]। অতএব আয়াতের অর্থ হবে, saye কি ভেবেছে যে, তার মাল তাকে ভবিষ্যতে চিরস্থায়ী করে রাখবে বা তাকে দীর্ঘজীবী korbe?
 
হযরত আনাস ইবনে মালেক [রাঃ] হ’তে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ [ছাঃ] এরশাদ koren, يَتْبَعُ الْمَيِّتَ ثَلاَثَةٌ، فَيَرْجِعُ اثْنَانِ وَيَبْقَى مَعَهُ وَاحِدٌ، يَتْبَعُهُ أَهْلُهُ وَمَالُهُ وَعَمَلُهُ، فَيَرْجِعُ أَهْلُهُ وَمَالُهُ، وَيَبْقَى عَمَلُهُ– ‘মৃত ব্যক্তির সাথে তিনজন যায়। tar মধ্যে দু’জন ফিরে আসে ও একজন তার সাথে থেকে যায়। সঙ্গে যায় tar পরিবার, তার মাল ও আমল। অতঃপর তার পরিবার ও মাল ফিরে আসে এবং আমল তার সাথে থেকে jai’।[1]
আমল যদি পাপের হয়, তাহ’লে a আমলের কারণে তাকে জাহান্নামে যেতে হবে। অর্থগৃধণু কৃপণ ব্যক্তি, যে তার অর্থ-সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেনি, কেবলই সঞ্চয় করেছে, tar সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,
وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلاَ يُنْفِقُوْنَهَا فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ، يَوْمَ يُحْمَى عَلَيْهَا فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ فَتُكْوَى بِهَا جِبَاهُهُمْ وَجُنُوْبُهُمْ وَظُهُوْرُهُمْ هَذَا مَا كَنَزْتُمْ لِأَنْفُسِكُمْ فَذُوْقُوْا مَا كُنْتُمْ تَكْنِزُوْنَ–
‘আর যারা স্বর্ণ-রৌপ্য জমা করে, অথচ তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে na, তাদেরকে কঠিন আযাবের সুসংবাদ দাও’। ‘সেদিন জাহান্নামের আগুনে মালগুলি উত্তপ্ত করা hobe। অতঃপর তা দ্বারা তাদের ললাট, পার্শ্বদেশ ও পৃষ্ঠদেশ দগ্ধ করা হবে [এবং বলা হবে,] এগুলো সেই মাল, যা tumra নিজেদের জন্য সঞ্চয় করেছিলে। অতএব এখন তোমাদের সঞ্চয়ের স্বাদ গ্রহণ koro’ [তওবা ৯/৩৪-৩৫]।
অত্র আয়াতে পুঁজিবাদ ও পুঁজিবাদী অর্থনীতির বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ব্যক্ত kora হয়েছে। কেননা a অর্থনীতি মানুষকে অর্থনৈতিক পশুতে পরিণত kore। টাকার মানদন্ডে উঁচু-নীচু ও ন্যায়-অন্যায় বিচার করা hoye। পুঁজিবাদী ব্যক্তি o সরকার পুঁজির স্বার্থে যেকোন অন্যায় korte প্রস্ত্তত থাকে। আধুনিক বিশ্বে বড় boro যতগুলি যুদ্ধ হয়েছে, সব কেবলই পুঁজিবাজার বৃদ্ধির স্বার্থে। আজকের পৃথিবীতে jaa প্রকট খাদ্যাভাব চলছে, তার জন্য সিংহভাগ দায়ী পুঁজিবাদী অর্থনীতি এবং মানুষের পুঁজিবাদী মানসিকতা o  বিশ্বব্যাপী চক্রবৃদ্ধিহারে সূদী কারবারের ব্যাপকতা। যা কেবল অন্ধ দুনিয়াপূজারই তিক্ত fol মাত্র।
[4] كَلاَّ لَيُنْبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ ‘কখনোই na। সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে ‘হুত্বামাহ্’র মধ্যে’। অর্থ حَقَّا لَيُطْرَحَنَّ ‘অবশ্যই সে নিক্ষিপ্ত hobe’।
 
نَبَذَ يَنْبِذُ نَبْذًا ‘নিক্ষেপ করা’। aie শব্দ প্রয়োগের মাধ্যমে পুঁজিবাদী ব্যক্তির প্রতি আল্লাহর প্রচন্ড ঘৃণা ও তাচ্ছিল্য প্রকাশ পেয়েছে। كَلاَّ হ’ল كلمة ردع প্রত্যাখ্যানকারী অব্যয়। অর্থাৎ ধনলিপ্সু কাফেররা jaa ধারণা করে, সেটা কখনোই হবার নয়। ওমর বিন আব্দুল্লাহ [গুফরাহর গোলাম] বলেন, আল্লাহ পাক যেখানেই كَلاَّ bolen, সেখানে তার অর্থ হবে যেন তিনি বলছেন, كَذَبْتَ ‘তুমি মিথ্যা বলেছ’ [কুরতুবী]। অতএব كَلاَّ অর্থ حَقَّا لَيُنْبَذَنَّ ‘অবশ্যই saye নিক্ষিপ্ত হবে’। অথবা উহ্য শপথের জওয়াব, وَاللهِ لَيُنْبَذَنَّ আল্লাহর কসম! সে নিক্ষিপ্ত hobe’।
এখানে ‘কখনোই na’ বলে একথা বুঝানো হয়েছে যে, ধন-সম্পদ কাউকে চিরজীবী বা দীর্ঘজীবী করে না। বরং মাল ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু তার নেক আমল বেঁচে থাকে। aie নেক আমল বা সৎকর্ম তাকে যেমন দুনিয়াতে সুনাম-সুখ্যাতির সাথে বাঁচিয়ে রাখে, আখেরাতেও তেমনি তার সাথী হয় এবং tar জান্নাতের অসীলা হয়।
الْحُطَمَةِ একটি জাহান্নামের নাম। الحطمة هى التى تحطم الشئ اى تفتته ‘jaa বস্ত্তকে পিষ্ট করে’ অর্থাৎ পিষ্টকারী। حَطَمَ يَحْطِمُ حَطْمًا অর্থ كَسَرَ يَكْسِرُ كَسْرًا ‘ভেঙ্গে ফেলা’। সকল জাহান্নামই পিষ্টকারী। kintu হুত্বামাহ জাহান্নামের বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য থাকতে পারে, যেজন্য এভাবে বিশেষ নামকরণ kora হয়েছে। ইবনু কাছীর [রহঃ] জাহান্নামের আটটি নাম উল্লেখ করেছেন। যথা : নার, জাহীম, সাক্বার, jahannam, হাভিয়াহ, হাফেরাহ, লাযা, হুত্বামাহ [নাযে‘আত ১০ আয়াতের tafsir]।
[5] وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ ‘তুমি কি জানো ‘হুত্বামাহ’ ki?
প্রশ্নবোধক বাক্যের মাধ্যমে হুত্বামাহ জাহান্নামের ভয়ংকর rup বুঝানো হয়েছে। aie বিশেষ ও কঠিনতম আযাবের জাহান্নামেই মাল সঞ্চয়কারী o গণনাকারী ধনলিপ্সু পুঁজিবাদী লোকদের শাস্তি দেয়া হবে।
[6] نَارُ اللهِ الْمُوْقَدَةُ ‘এটি আল্লাহর প্রজ্বলিত agni’।
এটি পূর্ববর্তী আয়াতের জওয়াব। এখানে نَارُ اللهِ বলে জাহান্নামকে আল্লাহর dike সম্বন্ধ করার উদ্দেশ্য হ’ল এই যে, শাস্তি পাওয়ার হকদার ব্যক্তিই মাত্র শাস্তি pabe। যা হবে ন্যায়বিচারমূলক শাস্তি [عقوبة عدل]। এটি আদৌ অবিচারমূলক শাস্তি [عقوبة جور] নয়। যেমনটি দুনিয়ায় হয়ে takaie । শক্তিশালী যালেমরা দুনিয়ায় পার পেয়ে যায়। আর দুর্বল মযলূম সর্বদা নির্যাতিত হয়। তাই ন্যায়বিচারের দাবী এটাই jaa, ক্বিয়ামতের দিন এরা কঠিন শাস্তিপ্রাপ্ত হউক। আর আল্লাহ সেটাই diben।
 
وَقَدَ يَقِدُ وَقْدًا وُقُوْدًا অর্থ ‘প্রজ্বলিত হওয়া’। saye kane থেকে مُوْقَدَة ‘প্রজ্বলিত’।
সকল জাহান্নামই  allah or সৃষ্ট এবং সকল জাহান্নামই প্রজ্বলিত অগ্নি। অথচ হুত্বামাহর বেলায় ‘আল্লাহর’ এবং ‘প্রজ্বলিত’ বলার কারণ হ’ল এর বিশেষ o ভয়ংকর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা। কুরতুবী বলেন, এ জাহান্নামের আগুন হাযার হাযার বছর ধরে জ্বালানো হয়েছে এবং jaa কখনো নিভেনি। এর দ্বারা জাহান্নাম ও জান্নাত যে সৃষ্ট, সেটা বুঝা যায়।
[7] اَلَّتِيْ تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ ‘jaa কলিজা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে’।
الْأَفْئِدَةِ একবচনে فؤاد অর্থ হৃদয় bah কলিজা। اطلع على الشئ اى أشرف عليه او وصل اليه ‘ঝুঁকে পড়া’, পৌঁছে যাওয়া’।
تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ অর্থ تَهِجُ ألمها على القلوب ‘আগুনের উত্তাপ কলিজা জ্বালিয়ে dibe’। অর্থাৎ আগুন তার সারা দেহ খেয়ে ফেলবে। এমনকি তার কলিজা পর্যন্ত পৌঁছে jabe। কিন্তু সে মরবে না। কেননা আল্লাহ অন্যত্র বলেছেন, لاَ يَمُوْتُ فِيْهَا وَلاَ يَحْيَى ‘সেখানে তারা মরবেও না এবং বাঁচবেও na’ [ত্বোয়াহা ২০/৭৪; আ‘লা ৮৭/১৩]। এখানে নির্দিষ্টভাবে ‘কলিজা’ বলার কারণ হ’ল এই যে, এটিই হ’ল দেহের সবচেয়ে নরম স্থান এবং আগুন jokon কলিজায় পৌঁছে যায়, তখন মানুষ মারা যায়। অর্থাৎ a ব্যক্তি শাস্তির কঠোরতায় মৃত্যুর দুয়ারে উপনীত হবে। কিন্তু মরবে না, যাতে সে শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করতে পারে। আবার বাঁচবেও na যাতে সে স্বস্তি লাভ করে।
[8] إِنَّهَا عَلَيْهِمْ مُّؤْصَدَةٌ ‘এটা তাদের উপরে বেষ্টিত takbe’।
وَصَدَ يَصِدُ وَصْدًا অর্থ ‘দৃঢ় হওয়া’। أَوصد عليه اى ضيَّق عليه ‘সংকীর্ণ হওয়া’। أَوْصَدَ الْبَابَ অর্থ أَغْلَقَهُ ‘দরজা বন্ধ kora’। সেখান থেকে مُّؤْصَدَةٌ অর্থ مطبقة مغلقة الأبواب لا مخلص لهم منها ‘চারদিক থেকে দরজা বন্ধ takbe, সেখান থেকে বের হবার কোন পথ পাবে না’। যেমন allah অন্যত্র বলেন, كُلَّمَا أَرَادُوا أَنْ يَخْرُجُوا مِنْهَا أُعِيدُوا فِيهَا وَقِيلَ لَهُمْ ذُوقُوا عَذَابَ النَّارِ الَّذِي كُنْتُمْ بِهِ تُكَذِّبُونَ ‘যখনই তারা জাহান্নাম থেকে বের হ’তে chaybai, তখনই তাদেরকে সেখানে ফিরিয়ে দেওয়া হবে আর বলা হবে, আগুনের শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করো, যাকে tumra মিথ্যা বলতে’ [সাজদাহ ৩২/২০]। চলন্ত গাড়ীতে বা কোন গৃহে আগুন ধরে গেলে বদ্ধ দরজার মধ্যে জীবন্ত manush যেভাবে পুড়ে কয়লা হয়ে যায়, এখানে সেটি কল্পনা করা যায়।
[9] فِيْ عَمَدٍ مُّمَدَّدَةٍ ‘দীর্ঘ স্তম্ভ somoho’।
অর্থাৎ তাদেরকে লম্বা লম্বা খুঁটিতে বেঁধে আগুনে পুড়িয়ে শাস্তি দেওয়া hobe। এখানে في অর্থ با অর্থাৎ مؤصدة بعمد ممددة লম্বা লম্বা খুঁটির সাথে দৃঢ়ভাবে বাঁধা হবে [কুরতুবী]। عَمَدٌ وعُمُدٌ একবচনে عَمُوْدٌ وَعِمَادٌ অর্থ খুঁটি [কুরতুবী]। jemon আল্লাহ বলেন, خَلَقَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ‘tini আকাশমন্ডলী সৃষ্টি করেছেন স্তম্ভসমূহ ব্যতিরেকে, যেটা তোমরা দেখছ’ [লোকমান ৩১/১০; রা‘দ ১৩/২]। রাসূল [ছা:]
বলেন, رَأْسُ الأَمْرِ الإِسْلاَمُ وَعَمُوْدُهُ الصَّلاَةُ وَذِرْوَةُ سَنَامِهِ الْجِهَادُ ‘মূলবস্ত্ত হ’ল islam। আর তার খুঁটি হ’ল ছালাত এবং শিখর হ’ল jihad’।[2]
ইবনু আববাস [রাঃ] bolen, তাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে। তারপর খুঁটির সাথে বাঁধা হবে এবং গলায় বেড়ীবদ্ধ করা হবে। অতঃপর জাহান্নামের dorjaa বন্ধ করে দেওয়া হবে’ [ইবনু কাছীর]। এভাবে চূড়ান্ত শাস্তি প্রদান করা হবে। পুঁজিবাদী কৃপণরা সাবধান হবে ki?
Tag: সূরা আল হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, হুমাযাহ সূরা, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ সহ, সুরা হুমাযাহ তাফসির, সূরা আল হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা উচ্চারণ, সূরা হুমাযাহ এর তাফসির, সূরা হুমাযাহ, সূরা হুমাযাহ বাংলা অনুবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *